
ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার টবগী ইউনিয়নের দালালপুর ৬নং ওায়ার্ডে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে হামলার শিকার হয়ে মিথ্যা মামলায় জেল খাটতেছে স্কুল ছাত্র বায়েজিদ। আদালতের মামলা ও ভূক্তভোগীদের সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের আবদুল খালেকের ছেলে মনির ও দালালপুর ৬নং ওয়ার্ডের কবিরের ছেলে হাসানসহ একটি চক্র দীর্ঘদিন যাবৎ দালালপুর এলাকায়, চুরি, মাদক, পরকিয়া ও জিন ব্যবসা করে এলাকার পরিবেশ নষ্ট করে আসছে। এ বিষয়টি প্রতিবাদ করতে মাঠে নামে দালালপুর এলাকার প্রবাসী জিয়াউর রহমানের স্কুল পরুয়া ছেলে বায়েজিদসহ কয়েকজন ছাত্র। একারণে সন্ত্রাসী মনির ও হাসানের সাথে তীব্র শত্রুতা সৃষ্টি হয় বায়েজিদের। এর রেশ ধরে গত ২১মে রাত ৯ টারদিকে মনির, হাসান ও কবিরসহ একটি সন্ত্রাসীদল দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বায়েজিদের বাড়িতে প্রবেশ করে তাদের ঘর-দরজা ভাংচুর করে। অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা বায়েজিদকে ধরে এনে হত্যার উদ্দেশ্যে তার উপরে হামলা চালায়। এতে বায়েজিদের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন যায়গা রক্তাক্ত জখম হয়। এসময় বায়েজিদের মা লাইলি আক্তার সন্তানকে রক্ষা করতে এলে সন্ত্রীরা তাকেও মারধর করে শ্লীলতা হানি করে। অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা তার পরনে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে বোরহানউদ্দিন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর পর ভোলা সদর হাসপাতাল ও সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ডাক্তার বায়েজিদকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে রেফার করে। অভিযোগ পাওয়া গেছে, এ বিষয়ে বায়েজিদের পক্ষ থেকে বোরহানউদ্দিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি পুলিশ। অন্যদিকে অভিযুক্ত মনির ব্লেড দিয়ে নিজের মাথা নিজে কেটে নাটকীয় ভাবে আহত দেখিয়ে হাসপাতাল ভর্তি হয় এবং বোরহানউদ্দিন থানায় গেলে মনিরের সে মিথ্যা মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ।
এ মামলায় এসআই আবু জাফর রাত ১টার দিকে মহিলা পুলিশ ছারা প্রবাসী জিয়াউর রহমানের বাড়িতে প্রবেশ করে অসুস্থ বায়েজিদ ও তার মা লাইলি বেগমকে গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠায়। ইতোমধ্যে লাইলি বেগমের জামিন হলেও স্কুল ছাত্র বায়েজিদ অসুস্থ অবস্থায় মনির চক্রের মিথ্যা মানলায় ২য় দফায় জেল খাটতেছে। এমতাবস্থায় তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেণ, প্রবাসী জিয়াউর রহমান ও ওই এলাকার সচেতন মহল।
Reporter Name 








