
ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলার ভেদুরিয়ায় শ্বশুরের বিক্রিত জমিকে কেন্দ্র করে, জামাই ও মেয়েকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে পাষন্ড শ্বশুর ও তার লাঠিয়াল বাহিনী। এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। ভূক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ভেদুরিয়া ইউনিয়নের চর রমেশ ১নং ওয়ার্ডের মোঃ ইউনুছ ফরাজীর ছেলে আমির হোসেন প্রায় ১০ বছর পূর্বে নগদ টাকা দিয়ে তার শ্বশুর মোঃ ছাদেক রারির কাছ থেকে ৩০৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে। এর পর শ্বশুর ছাদেক জামাই আমিরকে সে জমির দখল বুঝিয়ে দেয়। সে থেকে জামাই আমির সে জমিটি শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোগ দখল করে আসছিলো। কিন্তু সহজ সড়ল দিনমজুর জামাই অতি বিশ্বাস করে তার শ্বশুরকে জমির মূল্য পরিশোধ করলেও গত ১০ বছরে দেই দিচ্ছি বলে জামাইকে সেই জমির দলিল রেজিস্ট্রি করে দেয়নি প্রতারক শশুর সাদেক রারি। উল্লেখ্য, দলিল দেয়ার জন্য, জামাই আমির একাধিকবার তার শ্বশুরের হাত পায়ে ধরলেও, বিভিন্ন টাল-বাহানা করে সে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। এ বিষয়টি জামাই আমির ওই এলাকার গন্যমান্যদের একাধিকবার জানালেও কোন প্রকার সুফল মেলেনি তার ভাগ্যে। সূত্রে জানাগেছে, বর্তমানে জমির দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে শ্বশুর সাদেক তার ছেলেদের নিয়ে ষড়যন্ত্র ও ফন্দি করে জামাই আমিরকে এ জমি হতে উৎখাত করার জন্য। জামাই আমির হোসেন জানান, গত ২২ মে শ্বশুর ছাদেক রারি, ফারুক রারি, রুহুল আমিন রারি, জাফর, সুমন, সোহেলসহ একটি সঙ্গবদ্ধ ভূমিদস্যু দল আমার ভোগ দখলীয় জমি অন্য লোকের কাছে বিক্রির উদ্দেশ্য দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অনাধিকার ভাবে আমার জমিতে প্রবেশ করে, ফিলার স্থাপণের কাজ শুরু করে। এসময় আমি বাধা দিতে এলে সকল সন্ত্রাসীরা আমাকে মারধর শুরু করে। পরে আমি নিজেকে রক্ষার জন্য দৌড়ে এসে বাড়িতে প্রবেশ করলে, তারা ফের দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আমার বসত বাড়িতে তান্ডব চালায়। এ সময় তারা আমার উপর নির্মমভাবে হামলা চালায়। এমতাবস্থায় আমার স্ত্রী আমাকে রক্ষা করতে এলে, সন্ত্রাসীরা তার উপরও নির্মমভাবে হামলা চালায়। অন্যদিকে সন্ত্রাসীরা আমার বসতঘর ভাঙচুর করে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও দামিও আসবাবপত্র লুট করে নিয়ে যায়। অন্যদিকে তারা আমার ফলানো বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা কেটে নিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় আমাদের উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতলে ভর্তি করে।
এ ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন, ভুক্তভোগী আমির হোসেন ও তার পরিবার।
এ ব্যাপারে অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তাদেরকে পাওয়া যায়নি।
Reporter Name 






